Home | Add to Favorites | Feedback | Sitemap | Webmail
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

Click to see what our sttisfied customer who took our services.

You can also share your ideas and satisfactions to us...

 
 
 

DIAMOND : হীরা

হীরা অতীব কঠিন, সর্বাপেক্ষা উজ্জ্বল জ্যোতির্ময় রত্ন। হীরার ইংরেজী “ডায়ামন্ড” শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ ‘এডামাস’ (ADAMAS) থেকে, যার মানে কঠিন বা “অপরাজেয়”। হীরা সত্যিই অপরাজেয়। অর্থাৎ হীরা দিয়েই হীরা কাটা যায়। লক্ষ বছর পুর্বে মৃত্তিকার অনেক অনেক নিচে নিখাদ কার্বন থেকে আগ্নেয়গিরির তাপ এবং চাপে হীরার জন্ম। হীরা যে নলাকৃতি অনুভূমির পাথরের খোড়লে জন্ম নেয় তাকে বলা হয় কিম্বার্লাইট অথবা ল্যামপোরটি। পাইপের আকারের আগ্নেয়শিলাই যে হীরার মূল উৎস তা প্রথম জানা যায় দক্ষিণ আফ্রিকার কিম্বার্লিতে। কিম্বার্লির নামেই আগ্নেয়গিরিজাত শিলার নামকরণ হয় কিম্বার্লাইট (KIMBERLITE) ।
হীরাকে আরবীতে অলম্পাস বলা হয়। বর্তমান পৃথিবীতে হীরা সবচেয়ে দুস্প্রাপ্য ও মূল্যবান। হীরা “আলো-ঝলমলে” ধাতু। হীরার বহুতলে আলো বার-বার একে বেকে যায় বলেই তৈরী হয় বহু রঙা আলোর ফোয়ারা ।
রত্ন বিজ্ঞানীরা হীরাকে তার ভেতরের উজ্জ্বলতা অনুযায়ী বর্ণের দিক থেকে চার ভাগে ভাগ করেছিলেন । (১) ব্রাহ্মণ-সাদা রঙ্গের হীরা। (২) ক্ষত্রিয়-লাল রঙ্গের হীরা। (৩) বৈশ্য-হলুদ রঙ্গের হীরা এবং (৪) শুদ্র-কালো রঙ্গের হীরা। বিন্দু ও রেখাবর্জিত সাদা উজ্জ্বল হীরাকে শ্রেষ্ঠ বলে মনে করা হয় এবং তার নাম দেওয়া হয়েছে “কমলহীরা”। খাঁটি বা প্রাকৃতিক হীরা শীতল ও পিচ্ছিল জ্যোতি দেখা যায়। আসল হীরা আগুনে পোড়ালে কয়লা হয়ে যায়। সকলেই জানে যে হীরা দ্বারা কাঁচ কাটা যায়। উজ্জ্বল ও জ্যোতিহীন, দাগ বিন্দুযুক্ত হীরা ব্যবহার করা উচিত নয়।
খনি থেকে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হীরা উজ্জ্বল ও জ্যোতির্ময় থাকে না। হীরা না কাটলে তার ভেতরকার জৌলুস প্রকাশ পায় না। একে কেটে পলিশ করে উজ্জ্বল জ্যোতির্ময় করে গড়ে তোলা হয়। আজ পৃথিবীর ভারতের বোম্বে, তেলআভিব, ব্যাংকক, এ্যান্টরুপ ও আমেরিকার নিউইয়র্কে হীরা কাটা ও ঘষামাজা করা হয়।
উপাদান (Chemical Composition) : কার্বন ।
কাঠিন্যতা (Hardness): ১০
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity): ৩.৪৭-৩.৫৫
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ২.৪১৭-২.৪১৯
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.০৪৪
হীরা কৃষ্টালীন কার্বনের রাসায়নিক উপাদান। গ্রাফাইটের সমগোত্রীয় অথচ বিপরীত ধর্মী। গ্রাফাইট নরম, হীরা অতীব কঠিন। খনি থেকে তোলার পর ৮০ ভাগ হীরাই কাটিং-এ বাতিল হয়ে যায়। বাকী ২০ ভাগ সেটিং, ওজন, বর্ণ, গঠন ও শুদ্ধতা অনুযায়ী শ্রেণীভুক্ত করা হয়।
প্রাপ্তিস্থান : ভারতের গোলকুন্ডা হীরা খনি। কিন্তু বর্তমানে এই খনি পরিত্যক্ত। ১৭২৫ সালে আর একটি হীরার খনি আবিষ্কার হয় ব্রাজিলে। ব্রাজিলের খনি থেকেও উজ্জ্বল বড় হীরা পাওয়া যায়। অতঃপর এ যুগে দক্ষিণ আফ্রিকার কিম্বার্লীতে বৃহত্তম হীরা খনির সন্ধান পাওয়া গেছে। সেখানকার হীরা সুন্দর ও ঝলমলে। বর্তমানে পৃথিবীর ৯০ ভাগ চাহিদা পূরণ করছে কিম্বার্লী একাই। পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে লম্বা হীরার খনি দক্ষিণ আফ্রিকার কিম্বার্লীতে। এছাড়া হীরা পাওয়া যায় দক্ষিণ আমেরিকা, অষ্ট্রেলিয়া প্রভৃতি স্থানে। ১৯৭৯ সালে আরেকটি বড় হীরার খনি আবিষ্কৃত হয় পশ্চিম অষ্ট্রেলিয়ায়। ১৯৮৮ সালে অষ্ট্রেলিয়া ৩৪ মিলিয়ন ক্যারেট হীরার সন্ধান পায়। যা, গোটা পৃথিবীর হীরার তিন চতুর্থাংশের সমান। লন্ডনের ডিবাইর্স সেন্ট্রাল সেলিং অর্গানাইজেশনের মূল ভবনেও প্রচুর পরিমানে হীরা আবিষ্কৃত হয়।
উপকারিতা: জ্যোতিষশাস্ত্রে অশুভ শুক্রের জন্য হীরা রত্ন ধারণ করতে বলা হয়েছে। সম্পদ, সুখ এবং বিজয়ের প্রতীক বলে হীরাকে ধারণ করা হয়। বিভিন্ন প্রকার যৌনরোগ, স্বাস্থ্য, সৌন্দর্য, শিল্পকলা, নারী পুরুষের রতি শক্তি বৃদ্ধি, স্বামী-স্ত্রীর সুখী দাম্পত্যজীবন গড়তে হীরা খুবই ফলদায়ক।
সঠিক রাসায়নিক বিশ্লেষণ, শুভ তিথীযুক্ত দিন ব্যতীত এবং বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন না করে যে কোন রত্ন পাথর ধারণ করা অনুচিত। এতে করে শুভ ফল পাবেন না । শোধন প্রক্রিয়া সময় সাপেক্ষ তথাকথিত প্রচলিত ভ্রান্ত সাধারণ নিয়মে দুধ, মধু, গোলাপজল, জাফরান , আতর, জম জম কূপের পানি, নদীর পানি কিংবা গঙ্গা জল ইত্যাদি দ্রব্য / বস্তু দ্বারা শোধন কখনও করা হয় না বা করার বিধান শাস্ত্রে নেই ।

আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রয়কৃত রত্ন পাথর আমরা বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন করে দিয়ে থাকি বিনিময়ে কোন অর্থ গ্রহণ করি না । আমাদের, বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন করা রত্ন পাথর ধারণ করার পর দ্রুত ফল প্রদান করতে সক্ষম।
“ সুমঙ্গল ” - এ পাওয়া যায় ।
[ উল্লেখ্য হীরা সম্পর্কে লেখাটি বিশিষ্ট জ্যোতিষ ও রত্নপাথর বিজ্ঞানী , গবেষক, বহু গ্রন্থের প্রনেতা শ্রদ্ধেয় আর,কে, ভূইয়া সাহেবের মানব কল্যানে রত্নপাথর গ্রন্থ থেকে সংগ্রহিত ]
 
 

  • Pearl
  • Blue Sapphire
  • Yellow Sapphire
  • Ruby
  • Diamond
 
 
 
 

Error. Page cannot be displayed. Please contact your service provider for more details. (31)