Home | Add to Favorites | Feedback | Sitemap | Webmail
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

Click to see what our sttisfied customer who took our services.

You can also share your ideas and satisfactions to us...

 
 
 

GOMED : গোমেদ

গোমেদ (Jacinth) স্বচ্ছ, উজ্জ্বল, লালচে বর্ণের পাথর। পাথরটিকে উর্দুতে গোমেদ বলা হয় । খাঁটি গোমেদ রত্নে জির্কোনিয়াম নামে এক প্রকার মহামূল্যবান ধাতু থাকে বলেই এর নাম হয়েছে ‘জ্যাসিন্থ’। বর্ণের দিক থেকে লালচে, হলদে আভাযুক্ত, বেগুনী, জলপাই রঙ- এর মত হয়ে থাকে। এর ভেতরের দিক সুক্ষ্ম বুদ বুদ এর মত দেখা যায়। লালচে আভাযুক্ত স্বচ্ছ উজ্জ্বল গোমেদের কার্যকারিতাই বেশী। খাঁটি বা আসল গোমেদ কষ্টি পাথরে ঘষলে দাগ পড়ে না বা ক্ষয় হয় না।সিংহলী গোমেদ ও ইটালিয়ান গোমেদ স্বচ্ছ, ও উজ্জ্বল আভাযুক্ত। আর খুবই ফলদায়ক। ভারতীয় গয়া গোমেদ কালচে রঙ- এর হয়ে থাকে। আলোতে কিছুটা স্বচ্ছ ও লালচে দেখায় । বেশী পরিমাণে ধারণ করলে সিংহলী ও ইটালিয়ান গোমেদের মতই ফল দেয় ।
মূল গোমেদ পাথরের রঙ লালচে বাদামি অথবা হলুদাভ সবুজ । রাসায়নিক নাম “জারকোনিয়াম সিলিকেট” । কিন্তূ এর ভেতর প্রায়ই হাফানিয়াম, থোরিয়াম, ইউরেনিয়াম ইত্যাদি তেজস্ক্রিয় ধাতু মিশে থাকে। গোমেদকে কাটার সবচেয়ে বড় জায়গা ব্যাংকক। সেখানকার স্বচ্ছ গোমেদ দেখলে হীরা বলে ভ্রম হয় । হীরার সঙ্গে একে চট করে আলাদা করার উপায় হচ্ছে কোনও বইয়ের ওপর গোমেদটাকে রাখা। যদি এক একটা ছাপার অক্ষর দুটো করে মনে হয়, তাহলে পাথরটা নিশ্চয়ই গোমেদ, হীরা নয়। আলোর দ্বৈত প্রতিসরণের জন্য এই ঘটনা ঘটে ।অজস্র নকল গোমেদ বাজারে বেরিয়েছে। এ ধরনের একটি হচ্ছে গার্নেট । এটি কম মূল্যের পাথর। গোমেদের সাথে গার্নেটের পার্থক্য সহজেই বুঝা হয় না।
উপাদান (Chemical Composition) : সিলিকন বা বালুকার সঙ্গে জির্কোনিয়াম নামক এক প্রকার দুস্প্রাপ্য ধাতু মিলিত হয়ে গোমেদ বা জ্যাসিন্থ সৃষ্টি হয়।
কাঠিন্যতা (Hardness) : ৬.৫ – ৭.৫
আপেক্ষিত গুরুত্ব (Specific Gravity) : ৩.৫০-৪.৩০
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৩০-১.৭৬০
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : ০.০৩৯
প্রাপ্তিস্থান : আজপর্যন্ত বেশীর ভাগ গোমেদই পাওয়া গেছে সিংহলের রত্নপুরায়। তবে থাইল্যান্ডেও সম্প্রতি কিছু কিছু পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া নরওয়ে, অষ্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, চীন, ভারত, প্রভৃতি স্থানে গোমেদ পাওয়া যায়।
উপকারিতা : হস্তরেখা বিজ্ঞানে এবং রাশিচক্রে রাহুর রুক্ষ দৃষ্টি হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ও রাহুর অশুভ প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য গোমেদ রত্ন ধারণ করা হয়। রত্নটি ব্যবহারে মামলা-মোকদ্দমা, হঠাৎ বিপদ, ঋণ ইত্যাদি বিষয়ে রক্ষা পাওয়া যায়। জাতক/জাতিকার কন্যারাশিতে, বৃশ্চিক লগ্নে বা জন্মরাশি হলে পরাশর পন্ডিতের মতে গোমেদ রত্ন ধারণ করা উচিত। অনেকপন্ডিতওমণিঋষিরমতেগোমেদধারণেহঠাৎকোনবিপদবাদুর্ঘটনাথেকেরক্ষাকরেওঅমঙ্গলকেদূরীভূতকরে।
সঠিক রাসায়নিক বিশ্লেষণ, শুভ তিথীযুক্ত দিন ব্যতীত এবং বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন না করে যে কোন রত্ন পাথর ধারণ করা অনুচিত। এতে করে শুভ ফল পাবেন না । শোধন প্রক্রিয়া সময় সাপেক্ষ তথাকথিত প্রচলিত ভ্রান্ত সাধারণ নিয়মে দুধ, মধু, গোলাপজল, জাফরান , আতর, জম জম কূপের পানি, নদীর পানি কিংবা গঙ্গা জল ইত্যাদি দ্রব্য / বস্তু দ্বারা শোধন কখনও করা হয় না বা করার বিধান শাস্ত্রে নেই ।

আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রয়কৃত রত্ন পাথর আমরা বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন করে দিয়ে থাকি বিনিময়ে কোন অর্থ গ্রহণ করি না । আমাদের, বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন করা রত্ন পাথর ধারণ করার পর দ্রুত ফল প্রদান করতে সক্ষম।
“ সুমঙ্গল ” - এ পাওয়া যায় ।
[ উল্লেখ্য গোমেদ সম্পর্কে লেখাটি বিশিষ্ট জ্যোতিষ ও রত্নপাথর বিজ্ঞানী , গবেষক, বহু গ্রন্থের প্রনেতা শ্রদ্ধেয় আর,কে, ভূইয়া সাহেবের মানব কল্যানে রত্নপাথর গ্রন্থ থেকে সংগ্রহিত ]
 
 

  • Pearl
  • Blue Sapphire
  • Yellow Sapphire
  • Ruby
  • Diamond
 
 
 
 

Error. Page cannot be displayed. Please contact your service provider for more details. (30)