Home | Add to Favorites | Feedback | Sitemap | Webmail
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

Click to see what our sttisfied customer who took our services.

You can also share your ideas and satisfactions to us...

 
 
 

CAT’S EYE : ক্যাট’স আই

ক্যাট’স আই বা বৈদুর্য্যমণি - চকচকে উজ্জ্বল রত্ন । উপরের ভাগ পালিশ করা এবং নীচের পিট পালিশহীন হয়ে থাকে । এই রত্নটির উপরের স্থল থেকে উজ্জ্বল আলোর সুতোর মত দাগ থাকে। রত্নটিকে নাড়ালে দাগগুলি নড়তে দেখা যায়। এটাকে “বিড়াল অক্ষি” ও বলা হয় । কারণ রত্নটি দেখতে অনেকটা বিড়ালের চক্ষুর মত । এটিকে আরবীতে লহসনিয়া বলে । বর্ণের দিক থেকে সবুজ, সাদা আভাযুক্ত ও ছাই রঙ- এর মত হয় । প্রকার ভেদে বৈদুর্য্যমনি কয়েক প্রকার যেমন – কনকক্ষেত্রী, ঘিক্ষেত্রী, ধূম্রক্ষেত্রী । আসল বৈদুর্যমণি কষ্টি পাথরে ঘর্ষণ করলে বর্ণ ও উজ্জ্বলতা নষ্ট হয় না বরং লাবণ্য আরো প্রকাশ পায় ।
বৈদুর্য্যমণি ক্রাইসোবেরিল গোত্রের রত্ন । বৈদুর্য্যমণি পাথরটি এদিক - ওদিক ঘুরালে বেড়ালের চোখের মতে চকচক করে ওঠে । এই ধর্মটির পারিভাষিক নাম Chatoyancy। কিন্তু এই ধরণের সব পাথরকেই বৈদ্যুর্য়মণি বলা যাবে না। যে পাথরের কাঠিন্য খুব বেশী, বহু বছর পরেও ক্ষয়ে যাবে না । সেই পাথরে যদি আলোর খেলা দেখা যায় তবে তা হবে বৈদুর্য্যমণি । এই রকম পাথর হচ্ছে ক্রাইসোবেরিল । রাসায়নিক নাম বেরিলিয়াম অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড । আবার যে ক্রাইসোবেরিলে সামান্য লোহার অনুর মিশ্রণ আছে তাদের রং মধুর মতো হালকা সোনালি । এর পারিভাষিক নাম ‘সাইমোফেন’ উৎকৃষ্টতম বৈদুর্য্যমণি এগুলোই । ‘ক্যাবোকন’ আকৃতিতে রত্নটিকে কাটলে একটা উজ্জ্বল নীল আলোর বিন্দু ফুটে উঠে বেড়ালের চোখের মণির মত দেখায় । প্রাচীন শ্রীলংকায় কান্তির রাজার একটি বৈদুর্য্যমণি এমনভাবে কাটা হয়েছিল যে, তাতে এ রত্নের স্বাভাবিক দাগগুলোর মাধ্যমেই মশালে আলোকিত একটি দেবীর ছবি ফুটে উঠতো। আগ্নেয়গিরি লাভা ঠান্ডা হলে তার মধ্যে মাঝে মাঝে এক ধরণের গিরি কাচ পাওয়া যায়। সেগুলি লাল, ধূসর কিংবা কালো-বিভিন্ন রঙের হতে পারে। সেগুলিতে থাকে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রণ ও অ্যালুমিনিয়াম। সেগুলির ফাকে ফাকে আরেক ধরণের সুতোর মতো পাথর দেখা যায়। পরিস্কার ও পালিশ করে সেগুলিকে বৈদুর্য্যমনি হিসেবে বাজারে চালিয়ে দেয়া হয়। এটা এক ধরণের নকল মণি। গলিত কাচের সাথে লেড অক্সাইড, ফ্লোরিন ও বেরিল যোগ করে তৈরি করা হয় আরেক জাতের নকল বৈদুর্য্যমনি। আজকাল বাজারে বৈদুর্য্যমনি বা ক্যাটসআই পাওয়া যায় সিংহল ও ব্রাজিলে।
উপাদান (Chemical Composition) : সিলিকন, ম্যাগনেসিয়াম, বেরিলিয়াম সংমিশ্রণে সৃষ্ট।
কাঠিন্যতা (Hardness) : ৮.৫
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ৩.৬৮ – ৩.৭৮
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৭৪৬-১.৭৫৫
প্রাপ্তিস্থান: ব্রাজিল, চীন, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড প্রভৃতি স্থানে বৈদুর্য্যমনি পাওয়া যায়।
উপকারিতা: জ্যোতিষশাস্ত্রে এই পাথরটি অশুভ কেতু গ্রহের প্রতিকারের রত্ন। ইহা ব্যবহারে রহস্যপূর্ণ জটিলতা, গোপন শত্রুতা, কোন প্রকার দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। কথিত আছে এই পাথরটি সঙ্গে থাকলে সর্প দংশন করে না। ভারতে একে অশুভ নাশকারী রত্ন হিসেবে গণ্য করা হয়। উচ্চস্থান থেকে পতিত হবার থেকে রক্ষা করে।
সঠিক রাসায়নিক বিশ্লেষণ, শুভ তিথীযুক্ত দিন ব্যতীত এবং বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন না করে যে কোন রত্ন পাথর ধারণ করা অনুচিত। এতে করে শুভ ফল পাবেন না । শোধন প্রক্রিয়া সময় সাপেক্ষ তথাকথিত প্রচলিত ভ্রান্ত সাধারণ নিয়মে দুধ, মধু, গোলাপজল, জাফরান , আতর, জম জম কূপের পানি, নদীর পানি কিংবা গঙ্গা জল ইত্যাদি দ্রব্য / বস্তু দ্বারা শোধন কখনও করা হয় না বা করার বিধান শাস্ত্রে নেই ।

আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রয়কৃত রত্ন পাথর আমরা বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন করে দিয়ে থাকি বিনিময়ে কোন অর্থ গ্রহণ করি না । আমাদের, বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে শোধন করা রত্ন পাথর ধারণ করার পর দ্রুত ফল প্রদান করতে সক্ষম।
“ সুমঙ্গল ” - এ পাওয়া যায় ।
[ উল্লেখ্য ক্যাট’স আই সম্পর্কে লেখাটি বিশিষ্ট জ্যোতিষ ও রত্নপাথর বিজ্ঞানী , গবেষক, বহু গ্রন্থের প্রনেতা শ্রদ্ধেয় আর,কে, ভূইয়া সাহেবের মানব কল্যানে রত্নপাথর গ্রন্থ থেকে সংগ্রহিত ]
 
 

  • Pearl
  • Blue Sapphire
  • Yellow Sapphire
  • Ruby
  • Diamond
 
 
 
 

Error. Page cannot be displayed. Please contact your service provider for more details. (12)